মার্চ এলেই বাঙালির হৃদয়ে জেগে ওঠে স্বাধীনতার আনন্দ, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় স্মৃতি এবং অসংখ্য বীর সন্তানের অমর ত্যাগের কথা। এই মাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেইসব সাহসী মানুষদের, যারা বুকের রক্ত দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন।
আজ আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি তাদের সাহস, ত্যাগ ও অদম্য মনোবলকে—যাদের সংগ্রামের পথ ধরেই এসেছে আমাদের স্বাধীনতা। স্বাধীনতার এই মাস আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, যা আমাদের অনুপ্রাণিত করে একটি আরও সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যেতে।
এই গৌরবময় সময়ে আমাদের জন্য ছিল এক বিশেষ সৌভাগ্যের মুহূর্ত—একজন বিশিষ্ট গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস নাজমীর সান্নিধ্যে আসা এবং তার মুখে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের গল্প শোনার বিরল সুযোগ।
তার জীবনের সেই সাহসিকতার গল্প শুনে আমরা গভীরভাবে গর্বিত ও আবেগাপ্লুত হয়েছি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কাটানো এই মূল্যবান সময় আমাদের কাছে ছিল এক অনন্য ও স্মরণীয় দিন।
ঘরোয়া ও আন্তরিক পরিবেশে আয়োজিত সেই আড্ডা ও আলোচনা ছিল সত্যিই বিশেষ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস নাজমী, কবি ও লেখক রাজিয়া নাজমী, কবি ও নাট্যকার বদরুজ্জামান আলমগীর, নার্গিস পারভীন, কবি আহমদ সায়েম, কামরুল হাসানসহ আরও অনেক গুণীজন।
মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস নাজমীকে আন্তরিক ধন্যবাদ তার অমূল্য অভিজ্ঞতা আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। তার সংগ্রাম, সাহস ও দেশপ্রেমের গল্প আমাদের নতুন করে অনুপ্রাণিত করে—দেশকে ভালোবাসতে, দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখতে।
আসুন, স্বাধীনতার এই মাসে আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—শহীদের স্বপ্নের সেই সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রত্যেকে আমাদের অবস্থান থেকে কাজ করে যাব।









