খেলা

রকফেলার সেন্টারে এক সাবেক খেলোয়াড় ।। রিমি রুম্মান

শেয়ার করুন:

দীর্ঘ লাইন, কড়া নিরাপত্তা আর অগণিত ফুটবলপ্রেমীর ভিড় পেরিয়ে বান্ধবীর সৌজন্যে ম্যানহাটনের রকফেলার সেন্টারে হাজারো মানুষের সঙ্গে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দেখার সুযোগ হলো। এটি শুধু একটি ম্যাচ উপভোগ করার অভিজ্ঞতা ছিল না, বরং ছিল ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে এক বৈশ্বিক উৎসবে শামিল হওয়ার এক অনন্য মুহূর্ত। খেলা দেখতে দেখতে মনে হয়েছে, ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি এমন এক সার্বজনীন ভাষা, যা পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষকে একই আবেগে, একই উচ্ছ্বাসে একত্রিত করে।

ছোটবেলায় আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলাম। দিয়েগো ম্যারাডোনার ভক্ত ছিলাম। খেলা দেখতে দেখতে কখনো আনন্দে চিৎকার করতাম। কখনো বেদনায় ভারাক্রান্ত হতাম। বিশ্বকাপ খেলার দিনগুলোতে আমাদের চাঁদপুরের বাসার ছাদে পতপত করে উড়ত আর্জেন্টিনার পতাকা। পাড়ার ছেলেদের একাংশ আব্বাকে বলত, ‘খালু, ব্রাজিলের পতাকাও লাগাতে হবে।’ ফলে ছাদের অন্য প্রান্তে বাঁশের মাথায় হাওয়ায় উড়ত ব্রাজিলের পতাকা। পথচারীরা মাথা উঁচু করে দেখত, একটি বাড়ির ছাদে দুইপ্রান্তে দুটো ভিন্ন দেশের পতাকা নীল আকাশের বুকে পতপত করে উড়ছে।

আরেকটু বড় হবার পর চাঁদপুর জেলা আন্তঃস্কুল ফুটবল, হ্যান্ডবল, ও ভলিবল প্রতিযোগিতায় কয়েকবার অংশগ্রহণ করার সুযোগ হয়েছিল। মাঠে কাটানো সেই দিনগুলো এখন স্মৃতি হলেও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা আজও অটুট।

একজন সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে দুই দলকেই আন্তরিক অভিনন্দন।


রিমি রুম্মান। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *