নিউইয়র্ক : নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের কুইন্সের অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট–৩০ এর ডেমোক্রেটিক প্রাইমারি নির্বাচনে ইতিহাসের অন্যতম রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থী শামসুল হক মাত্র দুই ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছেন। সর্বশেষ ভোট গণনায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্যাট্রিক মার্টিনেজ সামান্য এগিয়ে থাকলেও নির্বাচনের ফল এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ২০ ভোটের কম হওয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যানুয়াল রিকাউন্ট অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে অবশিষ্ট অ্যাবসেনটি ও অ্যাফিডেভিট ব্যালট যাচাই এবং আইনি প্রক্রিয়াও এখনও বাকি রয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত ফলাফল পরিবর্তনের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
এই নির্বাচন শুধু দুটি প্রার্থীর লড়াই নয়; এটি নিউইয়র্কের বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব এবং মূলধারার রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। মাত্র দুটি ভোটের ব্যবধান আজ স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে—গণতন্ত্রে প্রতিটি ভোট কতটা মূল্যবান।
শামসুল হকের আইনজীবী জানিয়েছেন, প্রতিটি বৈধ ভোট গণনা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছেন এবং রিকাউন্ট শেষে ন্যায্য ফলাফল পাওয়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী।
এদিকে, কুইন্সসহ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শামসুল হকের জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন এবং রিকাউন্টে ইতিবাচক ফলাফলের প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন।
এখন সবার দৃষ্টি রিকাউন্টের দিকে। শেষ পর্যন্ত মাত্র দুটি ভোটের এই ব্যবধান কি বদলে যাবে, নাকি অপরিবর্তিত থাকবে—সেই উত্তর মিলবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই। আর সেই ফলাফল শুধু একজন প্রার্থীর ভাগ্যই নয়, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।
আশরাফুল ইসলাম আরিফ



