বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে। ফলে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
সংসদে বিএনপির ২৪৭ সদস্য থাকায় মির্জা ফখরুলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ত্রয়োদশ সংসদে মোট সদস্য ৩৪৯ জন। বিপরীতে ১১-দলীয় ঐক্যের সদস্য ৯০ জন।
তফসিল অনুযায়ী, ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই, ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়। একাধিক প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদে ভোট হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা প্রকাশ্যে ভোট দেন। বিএনপির চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেছেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হতে পারে। তবে এ বিষয়ে আইনজ্ঞদের ভিন্নমতও রয়েছে।
মির্জা ফখরুল প্রায় ১৬ বছর বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসচিব নির্বাচিত হন তিনি। অন্যদিকে অলি আহমদ বিএনপির সাবেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী। ২০০৬ সালে বিএনপি ছেড়ে তিনি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গঠন করেন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে দুই প্রার্থীর মোট তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে—মির্জা ফখরুলের একটি এবং অলি আহমদের দুটি। আইন অনুযায়ী, একটি মনোনয়নপত্র বৈধ হলে একই প্রার্থীর দ্বিতীয়টি যাচাইয়ের প্রয়োজন হবে না।
ডেস্ক, ফিলাডেলফিয়াপত্রিকা



