ফিলাডেলফিয়ার ওলনি এলাকায় চিউ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাড়িতে লুমিনল ব্যবহার করে সম্ভাব্য ফরেনসিক প্রমাণ খুঁজছেন তদন্তকারীরা। সাত নিখোঁজ বা অজ্ঞাতপরিচয় নারীর ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত এই বাড়িতে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তল্লাশি চালানো হয়।
লুমিনল এমন একটি তদন্ত-সহায়ক রাসায়নিক, যা খালি চোখে দেখা যায় না—এমন রক্তের চিহ্ন শনাক্ত করতে পারে। রে হর্শ ও তাঁর ছেলে ইউজিন হর্শের সঙ্গে যুক্ত ওই সম্পত্তিতে সাম্প্রতিক তল্লাশি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে রাসায়নিকটি ব্যবহার করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বাড়িটির সঙ্গে সাত নিখোঁজ বা অজ্ঞাতপরিচয় নারীকে যুক্ত করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি। তদন্তকারীরা বাড়িটির ভেতরে সম্ভাব্য প্রমাণের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত তদন্তকারীদের কাজ করতে দেখেছেন আশপাশের বাসিন্দারা। ঘটনাটির সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে বিস্ময় ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন তারা।
ওই এলাকার বাসিন্দা থম ল্যাম বলেন, ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়ার পথে তিনি বাড়িটির পাশ দিয়ে যেতেন। তাঁর স্মৃতিতে, বাড়িটিকে ঘিরে সব সময় কিছুটা ভয়ের পরিবেশ ছিল। লোকজন বাড়িতে যাতায়াত করলেও বারান্দায় কাউকে দেখা যেত না বলে জানান তিনি।
গত সপ্তাহে তল্লাশির অংশ হিসেবে বাড়িটি খালি করা হয়। বড় আকারের বিভিন্ন জিনিসপত্র সরিয়ে তদন্তের প্রমাণ হিসেবে অন্যত্র নেওয়া হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সম্ভাব্য ফরেনসিক প্রমাণের সন্ধানে বাড়িটির দেয়াল ও মেঝের কিছু অংশ খুলে দেখা হয়েছে। বেসমেন্ট থেকে বিভিন্ন ধরনের ল্যাবরেটরি সরঞ্জাম ও পাত্রও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তদন্ত এখনো সক্রিয় রয়েছে। অনুসন্ধান আরও জোরদার করতে মঙ্গলবার ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে তদন্তকারী দল ওই সম্পত্তিতে ফেরার কথা রয়েছে। বাড়ির আঙিনায় খনন করে তদন্তে সহায়ক কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।



