চিকিৎসা থেকে অর্থনীতি—বিজ্ঞান, সাহিত্য ও মানবাধিকারে অবদানের স্বীকৃতি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কারের ছয়টি বিভাগের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ সোমবার (১২ অক্টোবর) অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ বছরের তালিকা পূর্ণ হয়। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের জন্য এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে পুরস্কার পেয়েছেন কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল। পদার্থবিজ্ঞানে ফ্রান্সিস হালজেন এবং রসায়নে অঁরি বি. কাগান ও কেনসো সোয়াই সম্মানিত হয়েছেন। সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন কানাডার কবি অ্যান কারসন। শান্তিতে পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মী নাভি পিল্লাই। আর অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে আলোকসংবেদনশীল প্রোটিন ব্যবহার করে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত গবেষণা, পদার্থবিজ্ঞানে মহাজাগতিক নিউট্রিনো শনাক্তকরণ এবং রসায়নে অণুর প্রতিচ্ছবি-রূপ নিয়ে গবেষণার জন্য সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা স্বীকৃতি পেয়েছেন। সাহিত্যে অ্যান কারসনের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী সাহিত্যকর্ম এবং শান্তিতে নাভি পিল্লাইয়ের আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পক্ষে ভূমিকা বিশেষভাবে স্বীকৃত হয়েছে। অর্থনীতিতে হল ও উডফোর্ডের গবেষণা আধুনিক সামষ্টিক অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা-সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
আগামী ১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সুইডেনের স্টকহোমে অধিকাংশ বিভাগের পুরস্কার এবং নরওয়ের অসলোতে শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হবে।



