বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সফরে চীনে গিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা যায়, বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান লিয়াওনিং প্রদেশের ভাইস গভর্নর বেই ইয়াং, ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম। বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে তিনি দুইদিন অবস্থান করবেন।
এর আগে মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। উদ্দেশ্য দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে যোগ দেবেন। ২০২৬ সালের ২৪-২৬ জুন বেইজিং সফরকালে জনাব তারেক জিয়া বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে জানা যায়।
সফরসূচি অনুযায়ী ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বৈঠকের কথা রয়েছে। সেদিন বিকালে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম সম্মেলনে তারেক রহমান ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক একটি অধিবেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেবেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে তার। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পরদিন বুধবার সকালে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে সরকারপ্রধানের। ওইদিন আরো কিছু কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। সেখান থেকেই চীনে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের মূল কর্মসূচি শুরু হবে। তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর বার্ষিক সভায় (২০২৬ সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন। আগামী ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
এর আগে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানানো হয়। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলফিকলি হাসান ও তার সহধর্মিণী। এ সময় বিমানবন্দরে আরো উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম এবং ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকাসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, ২১ জুন ২০২৬ দুইদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেয়ার পর মালয়েশিয়ায় এটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর।
ডেস্ক, ফিলাডেলফিয়াপত্রিকা



