খেলা

ভিঅ্যাআর

শেয়ার করুন:

এই বিশ্বকাপ চলাকালে একটা ব্যাপার সবার কাছেই ক্লিয়ার যে খেলাধুলা পরিচালনায় প্রযুক্তির প্রভাব আগের যে-কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

বিশ্বকাপ বলতে এবারকার ফুটবল বিশ্বকাপ দুইহাজারছাব্বিশ। স্পষ্টভাবে এবারকার পুরুষদের ফুটবল বিশ্বকাপে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি মানে ভিঅ্যাআর প্রযুক্তির ভূমিকা মাঠের আরও দুটি পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রসারিত করা হয়েছে, অন্যদিকে টেনিসে আম্পায়াররা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ইলেকট্রিক লাইন কলিং সিস্টেম বা ইএলসি ব্যবহার করেন।

ভিঅ্যাআর ও ইএলসি এই দুটি সরঞ্জামেরই লক্ষ্য হলো নির্ভুলতা উন্নত করা। এই ট্র্যাকিং এবং রিভিউ সিস্টেমগুলোর বিশেষায়িত ক্যামেরার মাধ্যমে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণকারী মুহূর্তগুলো বিবেচনা করা সহজ হয়ে উঠেছে। কিন্তু, এই তথ্য বিশ্লেষণ করতে যেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মূল্যবান সময় ব্যয় হয়।

ফুটবলভক্তরা এই কারণে ভিঅ্যাআর-এর সমালোচনা করে বলেন যে এটি ম্যাচের গতিকে বিলম্বিত করে। শীর্ষস্থানীয় টেনিস খেলোয়াড় আরিনা সাবালেঙ্কা এবং আলেকজান্ডার জভেরেভও অভিযোগ করেছেন কারণ এই সিস্টেমগুলো এখনও নির্ভুল নয়। ফিফা বিশ্বকাপেও অভিযোগ উঠেছে। যদি প্রযুক্তি একজন মানব রেফারি বা আম্পায়ারের মতোই ত্রুটিপূর্ণ হয় এবং ভক্তদের অভিজ্ঞতাতেও বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তাহলে কেন শীর্ষ ক্রীড়াগুলো এর উপর নির্ভর করে?

এই রকমের অনেক প্রশ্ন ঘনিয়ে উঠলেও উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে এখনও।


ডেস্ক, ফিলাডেলফিয়াপত্রিকা

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *