২০৩০-এর দশকে আরও বেশ কয়েকটি দেশের চাঁদে মানুষ পাঠানোর উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে।
আর্টেমিস ২০২৬ মিশনের সাফল্যের পর ইউরোপীয় নভোচারীরা পরবর্তী আর্টেমিস মিশনগুলোতে যোগ দিতে প্রস্তুত এবং জাপানও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
চীন নিজস্ব মহাকাশযান তৈরি করছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে প্রথম অবতরণ।
রাশিয়া আনুমানিক ২০৩০ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে কোনো এক সময়ে নভোচারীদের চাঁদের পৃষ্ঠে নিয়ে যাওয়া এবং একটি ছোট ঘাঁটি তৈরির কথা বলে চলেছে অনেক দিন ধরে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, তহবিলের চাপ এবং প্রযুক্তিগত প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও রাশিয়ার চন্দ্রাভিযানস্বপ্ন সুদূরপরাহত নয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এদিকে ভারতও একদিন চাঁদে নিজেদের নভোচারীদের পদার্পণ দেখার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে চলেছে। ২০২৩ সালের আগস্টে চন্দ্রযান-৩ দ্বারা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফল অবতরণের পর ভারতের মহাকাশ সংস্থা আন্দাজ ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে নভোচারী পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এটি হবে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের বাইরে মানবমহাকাশযাত্রা কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি উদ্যোগের অংশ।
অনির্বাণ তালুকদার


