পবিত্রতায় পূর্ণ একটি মাস—রমজান। প্রতি বছরই মনে হয়, মাসটি যেন খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ইবাদত, সংযম আর আত্মশুদ্ধির এই সময়টায় মুসলমানরা যার যার মতো করে ইবাদতে মশগুল থাকেন।
আমাদের ফিলাডেলফিয়ার মসজিদগুলোতে গেলেও সেই দৃশ্য স্পষ্ট বোঝা যায়। প্রতিদিনই মাগরিবের আগে মসজিদগুলোতে ইফতারের আয়োজন থাকে। বিভিন্ন পরিবারের উদ্যোগে কিংবা মসজিদ কমিটির ব্যবস্থাপনায় প্রচুর পরিমাণ খাবার সাজানো হয় ইফতারের জন্য।
অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসেন, কেউ আবার বন্ধু বা পরিচিতদের সঙ্গে। মসজিদের মেঝেতে সারি করে বসে সবাই যখন একসঙ্গে খেজুর আর পানি দিয়ে রোজা ভাঙেন, তখন প্রবাসের মাটিতেও এক ধরনের আত্মীয়তার আবহ তৈরি হয়।
এখানে দেশের মতো ‘ফকির’ বা প্রকৃত অর্থে অভাবী মানুষের সংখ্যা খুব একটা চোখে পড়ে না। তবু মসজিদে ইফতারের সময় ভিড় কমে না। কারণ এখানে ইফতার কেবল ক্ষুধা নিবারণের জন্য নয়; বরং একসাথে বসে খাওয়ার আনন্দ, ভ্রাতৃত্ব আর মিলনের একটি সুন্দর উপলক্ষ।
অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসেন, কেউ আবার বন্ধু বা পরিচিতদের সঙ্গে। মসজিদের মেঝেতে সারি করে বসে সবাই যখন একসঙ্গে খেজুর আর পানি দিয়ে রোজা ভাঙেন, তখন প্রবাসের মাটিতেও এক ধরনের আত্মীয়তার আবহ তৈরি হয়।
হয়তো এটাই রমজানের আরেকটি সৌন্দর্য—মানুষকে মানুষে কাছে নিয়ে আসা, দূরদেশেও একসাথে থাকার অনুভূতি জাগিয়ে তোলা।



